Showing posts with label Civil Engineering News. Show all posts
Showing posts with label Civil Engineering News. Show all posts

Auto Mobile Insurance Quote

More discounts built in to your car insurance policy!

We offer many more built-in car insurance discounts, such as safe driver, pay-in-full, multi-car, etc. You'll automatically get these during your auto insurance quote no matter if you buy online or on the phone. Just get a free car insurance quote, and we'll find all these savings for you. You won't have to do or say anything else. Easy.
You can pretty quickly rack up hundreds in savings. But if you want to save even more during your car insurance quote (and who wouldn't?) then see more on how to save on auto insurance.

আরও নতুন দুইটি বিভাগ আসছে, বাড়বে আসন সংখ্যা ও

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উন্নয়নে বড় আকারের প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এর আওতায় দুইটি নতুন বিভাগ ও দুইটি ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে গাজীপুরের এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। পাশাপাশি অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে আরও নতুন চারটি বিভাগের। এসবে ব্যয় হবে ২৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় ইনস্টিটিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড এনভাইরমেন্টাল সায়েন্স ও ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং ডিপার্টমেন্ট অব রিনিউয়েবল এনার্জি ও কেমিক্যাল ও ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু হবে। এসব বিভাগ ও ইনস্টিটিউট চালু হলে প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৩০০ শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ভর্তি হতে পারবে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জ্ঞান শিক্ষা এবং গবেষণার ক্ষেত্রে দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া শিল্প খাতে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে ৫০০ শিক্ষার্থীর গবেষণা উন্নয়নের সুবিধা সৃষ্টি করা হবে প্রকল্পের আওতায়। আবাসনের সুবিধা সৃষ্টি করা হবে ৯০০ ছাত্র ও ৩০০ ছাত্রীর। ৪৮ কর্মকর্তাও পাবেন আবাসিক সুবিধা। পুরনো ক্যাম্পাসের পাশে নতুন একটি ভিন্ন ক্যাম্পাস সৃষ্টি করা হবে প্রকল্পের আওতায়। ইউজিসি সূত্র জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু প্রকল্পের এ কাজ শেষ করা হবে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রকল্পটির প্রস্তাব আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।
প্রকল্পটির প্রস্তাবনায় ইউজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের উন্নয়নে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি থাকা অপরিহার্য। সরকারি ও বেসরকারি খাতে স্থাপিত সাধারণ, প্রকৌশল এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনকারীর সংখ্যা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট নয়। এ অবস্থায় ১৯৮৬ সালে ঢাকায় বাংলাদশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে এ প্রতিষ্ঠানটি বিশ্ব¦বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। প্রকল্পের বিষয়ে মত দিতে পরিকল্পনা কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় দেশের মানব সম্পদ উন্নয়নকে আর্থসামাজিক উন্নয়নের চালিকা শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ন্যায় ও সমতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
২০২০ সালের মধ্যে উচ্চশিক্ষার হার ২০ দশমিক ৬০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষা জিডিপিতে শিক্ষা খাতের অবদান আড়াই শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে লক্ষ্য পূরণ অনেক সহজ হবে। ইউজিসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলছি, দেশের উন্নয়নে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি থাকা আবশ্যক। তাই ডুয়েট উন্নয়নে বড় আকারের প্রকল্প নেয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র : আলোকিত বাংলাদেশ

এবারের ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় অপটিমামের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
----------------
-------------------------------

গত ১৯ শে মে অনুষ্ঠিত এবারের ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় অপটিমাম কোচিং সেন্টার তাদের সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে। সর্বমোট ২৬৩ জন শিক্ষার্থী অত্র কোচিং সেন্টার থেকে চান্স পেয়েছে। যা মোট আসনের ৪৩.৮৩ শতাংশ।

বিভাগ ওয়ারি চান্স প্রাপ্তদের সংখ্যা :


CE- 52(120)
ME-68(120)
EEE-51(120)
CSE-48(120)
TE-16(60)
Arch-10(30)
IPE-18(30)

এ ব্যাপারে অপটিমাম কোচিং সেন্টারের পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মহান আল্লাহর প্রতি শোকরিয়া জ্ঞাপন করে বলেন, প্রতিবছর আমাদের শিক্ষার্থীরাই প্রথমসারির স্থানগুলো অর্জন করছে। ব্যবসায়িক চিন্তা ভাবনার গন্ডি থেকে বেরিয়ে এসে সেবার মান, ছাত্র কল্যাণ ও পরিশ্রমের ফসল হিসাবে আমাদের এই সাফল্য। তিনি সবার কাছে"অপটিমাম কোচিং সেন্টার"এর দীর্ঘায়ুর জন্য দোয়া কামনা করেন।

উল্লেখ্য, প্রতি বছরের মাঝামাঝি তে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় শুধুমাত্র ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা ই অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকেন।।।

আবাসন খাতের সমস্যা সমাধান করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আবাসন খাতের সমস্যা ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। তিনি বলেন, আবাসন এবং লিংকেজ শিল্প রক্ষায় সরকার কাজ করবে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এ সেনামালঞ্চ কনভেনশন হলে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এর উদ্যোগে এই দোয়া ও ইফতার-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
ইফতার মাহফিলে রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নূরন্নবী চৌধুরী, এমপি, ভাইস প্রেসিডেন্ট (এ্যাডমিন) প্রকৌশলী সরদার মো: আমিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) প্রকৌশলী মুহাম্মদ সোহেল রানা, প্রেস এ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যান্ডিং কো চেয়ারম্যান কামাল মাহমুদ সহ রিহ্যাবের প্রায় এক হাজার সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
নসরুল হামিদ বলেন, আবাসন খাতে নানাবিধ সমস্যা চলছে। ক্রেতাদের জন্য একটি তহবিল গঠনে সরকারের সাথে আলোচনা করবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি

বাংলাদেশি প্রকৌশলীর উদ্ভাবন: নির্মাণ করা যাবে এক কিলোমিটার উঁচু ভবন

বিশ্বে সুউচ্চ ভবন নির্মাণ পদ্ধতির উদ্ভাবক বা জনক বলা হয় ফজলুর
রহমান খানকে (এফআর খান)। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্থাপত্যের এ
কিংবদন্তি ১৯৬৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় কনসাল্টিং ফার্ম
এসওএমে থাকাকালে এক নতুন স্ট্রাকচারাল পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। ভবন
নির্মাণ কৌশলে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা ওই ব্যবস্থাকে বলা হয়, টিউব
টু টিউব পদ্ধতি। এখন পর্যন্ত বিশ্বের সর্বত্র সুউচ্চ ভবন
(স্কাইক্র্যাপার) নির্মাণে অনুসৃত হয় তার এ পদ্ধতিটি।
এবার এ পদ্ধতিকে আরও এক ধাপ ছাড়িয়ে গেলেন বাংলাদেশেরই আরেক
প্রকৌশলী ফিরোজ আলম। তার উদ্ভাবিত পদ্ধতি সুউচ্চ ভবন নির্মাণে
নতুন যুগের সূচনা ঘটাবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্মাণ করা সম্ভব হবে
এক কিলোমিটার উচ্চতার ভবনও।
প্রকৌশলী ফিরোজের উদ্ভাবিত নতুন স্ট্রাকচারাল পদ্ধতির কৌশলটি
হচ্ছে কলাম-বিমের পরিবর্তে প্যারালাল শিয়ার ওয়ালস কনসেপ্ট। এই
কৌশলে প্রায় এক কিলোমিটার উচ্চতার ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হবে।
একক গবেষণায় তার আবিষ্কৃত এই পদ্ধতিটি আমেরিকান জার্নাল অব
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ চলতি বছরের জুন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
এরই মধ্যে তার এ পদ্ধতি ব্যাপক প্রশংসিতও হয়েছে। এতে প্রচলিত
পদ্ধতির অনেক সীমাবদ্ধতা যেমন দূর হয়েছে, তেমনি ব্যয়ও হ্রাস পাবে।
ফিরোজ আলম এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশে কম খরচে সাধারণ
ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন ও হাইরাইজ ভবন নির্মাণে সহযোগিতা দিতে
চান তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশে শততলার ওপরে ভবন নির্মাণের
পরিকল্পনা হচ্ছে। সেখানেও তাকে কাজে লাগানো যেতে পারে বলে মন্তব্য
করেছেন ফিরোজ।
রংপুর সদরে জন্ম নেওয়া ফিরোজ আলম এখন কর্মসূত্রে সস্ত্রীক
কাতারে রয়েছেন। সেখানে তিনি ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাতার
সরকারের পাবলিক ওয়ার্কস অথরিটিতে কর্মরত। পরিবারের ছোট ছেলে
ফিরোজ আলম ১৯৯১ সালে ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স (এএমআইই),
বাংলাদেশ থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি সার্টিফিকেট নেন।
চাকরি নিয়ে প্রথমে সৌদি আরব ও পরে ২০০৭ সালে কাতার যান ফিরোজ
আলম। এর আগে মোহাম্মদপুর বাংলা মিডিয়াম হাই স্কুল ও সরকারি
তিতুমীর কলেজে লেখাপড়া করেন তিনি। তার এক ভাই প্রামাণ্যচিত্র
নির্মাতা মাহাবুবুল আলম তারু। ফিরোজ আলমের একমাত্র ছেলে ঢাকায়
ও-লেভেলে পড়াশোনা করছে।
২৫ তলার ওপরের ভবনকে হাইরাইজের কাতারে ফেলা হয়। বর্তমানে এমন
ভবন নির্মাণে বাতাস আর ভূমিকম্পের প্রভাবকে প্রাধান্য দিয়ে ভবনকে
মজবুত করার জন্য আরও অতিরিক্ত স্ট্রাকচারাল সিস্টেম যোগ করতে
হয়। যেমন ব্রাসিংস, আউট্রিগারস, বেল্ট ট্রাস ইত্যাদি, যা অত্যন্ত
ব্যয়বহুল। কিন্তু ২০১৪ সালে ফিরোজ আলমের আবিষ্কৃত এই প্যারালাল
শিয়ার ওয়ালস কনসেপ্ট-এর স্ট্রাকচারাল পদ্ধতিতে এসবের প্রয়োজন
নেই। তাছাড়া তিনি পূর্ববর্তী কাঠামোগত পদ্ধতির অনেক অসুবিধাও
অতিক্রমে সক্ষম হয়েছেন।
নতুন ধারার এ নির্মাণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার জন্য ফিরোজ আলমকে
আমন্ত্রণ জানিয়েছিল শিকাগোর প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি
অব ইলিয়নস অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইন। সেখানে তিনি গবেষণাপত্রটি
উপস্থাপন ও ব্যাখ্যা করেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কাউন্সিল
অব টল বিল্ডিং অ্যান্ড আরবান হ্যাবিটেট (ঈঞইটঐ)-এর সম্পাদক
অধ্যাপক মীর আলী প্রকৌশলী ফিরোজ আলমের আবিষ্কৃত নতুন
স্ট্রাকচারাল পদ্ধতিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের বুর্জ আল খলিফা বিশ্বের
সর্বোচ্চ ভবন, উচ্চতা ২৭১৯ ফুট। এর মধ্যে ১৯১৮ ফুট বা ১৫৪ তলা
পর্যন্ত মানুষের বসবাসের উপযুক্ত। বাকি ৮০১ ফুটকে বলা হয় ভ্যানিটি
হাইট। এই ভ্যানিটি হাইট বা উচ্চতাকে বাদ দিলে এটি ইউরোপের ১১তম
উঁচু ভবন হিসেবে পরিগণিত হবে। এর চূড়ার দোলন ২০০০ মি.মি.।
ফিরোজ আলম যে স্ট্রাকচারাল পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, সেটি দিয়ে
প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা বা ৩২৮২ ফুট উঁচু ভবন নির্মাণ করা সম্ভব,
যা প্রায় ২৭৮ তলার সমান। এটাতে কোনো ভ্যানিটি হাইট রাখা হয়নি।
দোলন হবে অর্ধেক, প্রায় ১০৪১ মি.মি.।
ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স কাতার চ্যাপ্টারের সাবেক চেয়ারম্যান
আনোয়ার হোসেন আকন এ ব্যাপারে বলেন, ফিরোজ আলমের
তত্ত্বমতে, প্যারালাল শিয়ার ওয়ালস কনসেপ্টের মাধ্যমে ১০০০ মিটার উঁচু
ভবন তৈরি করা সম্ভব। তার সূত্রমতে, এ পদ্ধতিতে কলামের পরিবর্তে
২৭৮ তলা ভবন বানানো সম্ভব। যাতে কাঠামোগতভাবে নিরাপদ, ব্যবহার
উপযোগী, অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী, অধিক প্রাকৃতিক আলো পাওয়া
সম্ভব। আনোয়ার হোসেনের মতে, স্কাইক্র্যাপারসের দোলন প্রায়
অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হলে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে, যা বর্তমান
বিশ্বে বিরাট চ্যালেঞ্জ।
আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ফিরোজ আলম চাকরির ফাঁকে ফাঁকে
নিজস্ব উদ্যোগে তার গবেষণা নিয়ে কাজ চালিয়ে যান। ২০১৪ সালে তার
গবেষণা থেকে আমি জানতে পারি পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভবন বুর্জ আল
খলিফা থেকে প্যারালাল শিয়ার ওয়ালস পদ্ধতিতে আরও ১৭২ মিটার উঁচু
ভবন নির্মাণ সম্ভব।
নিজ পেশায় ২১ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ফিরোজ আলমের। এর মধ্যে ১৪
বছর স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে
মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি কাতারের দোহায় কংক্রিট
কলাম দিয়ে স্টিলবিম হাইরাইজ ভবনের নকশা করেছেন। সেটি হচ্ছে ১২৯৬
বর্গমিটারের ৫১ তলা স্টোরয়েড আবাসিক টাওয়ার। ভূমি থেকে এটি ১৯২
দশমিক ২ মিটার লম্বা। ফিরোজ আলম এ ব্যাপারে বলেন, ৫১ তলা একটি
ভবনের মূল নকশা পুনর্বিবেচনার সময় আমি তাতে স্ট্রাকচারাল ডিজাইনে
অনেক বড় ধরনের ত্রুটি পেয়েছিলাম। ক্লায়েন্টরা আমাকে পুনঃনকশা করার
অনুরোধ করলে আমি একটা সঠিক ডিজাইন করে দিই।
(সংকলিত:সমকাল)