Showing posts with label Construction. Show all posts
Showing posts with label Construction. Show all posts

কোথায় কতটুকু কভারিং দিতে হবে

আর.সি.সি ঢালাইয়ের ক্ষেত্র এেক কোথায় কি পরিমাণ # রড়ের কভারিং ব্যবহার করতে হবে আমরা অনেকেই তা জানি না । ফলে কাঠামোর সঠিক ঢালাই হয় না বিধায় কাঠামো দুর্বল হয় । এজন্য এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকা উচিত । নিচে কোথায় এবং কখন কতটুকু # কংক্রিট এর কভার দিতে হবে তাতুলে ধরা হল :
# কভারিং :
ক) কভারিং ৩ ইঞ্চি : সরাসরি মাটির স্পর্শে থাকলে,
খ) কভারিং ২ ইঞ্চি : ১৬ এবং ১৮ মিলি রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত হলে,
গ) কভারিং ১.৫ ইঞ্চি : ৫ মিলি রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত হলে,
ঘ) কভারিং ১.৫ ইঞ্চি (স্ল্যাব , ওয়াল বা জয়েনট) : ১৪ এবং ১৮ মিলি রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
ঙ) কভারিং ০.৭৫ ইঞ্চি (স্ল্যাব , ওয়াল ) : ১১ মিলি বা এর চেয়ে চিকন রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
চ) কভারিং ১.৫ ইঞ্চি (বীম এবং কলাম ) : মূল রড, টাই বা শিয়ার রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
ছ) কভারিং ০.৭৫ ইঞ্চি (শেল বা ভাজ করা কংক্রিট কাঠামো) : ৬ মিলি বা এর চেয়ে মোটা রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
জ) কভারিং ০.৫ ইঞ্চি (শেল বা ভাজ করা কংক্রিট কাঠামো) : ৫ মিলি বা এর চেয়ে চিকন রড ব্যবহার করে মাটি বা আবহওয়ার সাথে সংযুক্ত না হলে,
ঝ) কভারিং ১ ইঞ্চি (শক্ত আনুভুমিক কাঠামোর উপরের কোন কাঠামো এবং আবহাওয়ার সাথে সংলগ্ন, মাটির স্পর্শে নয় ) : ৮ মিলি বা তার চেয়ে ছোট রড ব্যবহার হলে,
ঞ) কভারিং ২ ইঞ্চি (শক্ত আনুভুমিক কাঠামোর উপরের কোন কাঠামো এবং আবহাওয়ার সাথে সংলগ্ন, মাটির স্পর্শে নয় ) : ৯ মিলি বা এর চেয়ে বড় রড ব্যবহার হলে ।

টাইলস করার পদ্ধতি

নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে -

  1. প্রথমে ইলেকট্রিক্যাল এর কাজ সম্পন্ন করতে হবে
  2. ফ্লোরকে চিপিং করতে হবে ।
  3. পাইপ দিয়ে ওয়াটার লেভেল ঠিক করতে হবে।
  4. সবগুলো টাইলস একই লেভেলে থাকবে।
  5. ফ্লোর লেভেল কে এক করতে হবে এবং প্রতি রুমে লেভেলিং পায়া দিয়ে ইন্ডিকেট করতে হবে।
  6. টাইলস ফ্লোরে (১:৪) ও দেয়ালে (১:৩) রেশিং তে করতে হবে।
  7. টালি/ টাইলস আগের দিন ভিজাতে হবে।
  8. টাইলস বিছানোর পর রাবার হাতুড়ি দিয়ে বসাতে হবে।
  9. গোলা আওয়াজ হলে বুঝতে হবে ভয়েড আছে।
  10. টাইলস লাগানোর পর সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে।
  11. ২৪ ঘন্টা কিউরিং করতে হবে।
  12. ফ্লোর টাইলস এর আগে ওয়াল টাইলস লাগাতে হবে।
ধন্যবাদ।।।। পরবর্তী আপডেট সহজে পেতে আমাদের ব্লগ টিকে ইমেইল সাবস্ক্রিপশন করে রাখতে পারেন। 

আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং এ বিবেচ্য বিষয়

বিল্ডিং planning এ নিচের বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে -

  • জানালা ফ্লোর লেভেল থেকে ২-২.৫' উপরে থাকবে।
  • কনসিল স্টপ কক ফলস সিলিং থেকে ৬" নিচে থাকবে।
  • বিব কক ২৪-২৫" উপরে থাকবে।
  • বদনার টেপ ১২-১৪" উপরে থাকবে।
  • বেসিন ৩০-৩২" উপরে থাকবে।
  • কমোড বাথরুমের ফ্লোর লেভেল থেকে ৪" উপরে থাকবে।
  • বেসিন থেকে ৮-১০" উপরে সেলফ থাকবে এবং এর থেকে ৬" উপরে গ্লাস থাকবে।
  • গ্লাস সাইজ (৩০-৩২") বা (২৮-"৩০") হবে  
  • সাবানের কেইস বেসিনের লেভেলে থাকতে হবে।
  • ট য়লেট টিসু হোল্ডার হাই কমোড লেভেলে থাকবে।
জেনে রাখা ভাল-
Upvc- Un plasticsized polyvinal cloride.
PPR- Poly profile Rendom
CPVC- Clornated polyvinal cloride.

Shutter খোলার নিয়ম


  • কলাম/রিটেইনিং ওয়াল/ শিয়ার ওয়ালের সাটারিং ৭২ ঘন্টা পর খুলতে হবে। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টা পর সাটার খোলা যেতে পারে।
  • বিমের পাশ ৭২ ঘন্টা পর খুলতে হবে এবং তলা ২৮ দিন পর খুলতে হবে।
  • Span ছোট হলে ২১ দিন পর খোলা যেতে পারে।
  • ছাদ খোলার সময় span এর মিডল থেকে চারদিকে সমান ডিন্সট্যান্স এ props গুলি খুলতে হবে। এমনি ভাবে বিমের পাশের props গুলি খুলতে হবে ।
  • Cantiliver হলে ফ্রি অংশ থেকে আস্তে আস্তে props খুলতে খুলতে বিমের দিকে আস্তে হবে।
  • ছাদ খোলার সময় সেফটি হিসাবে কলামের সাথে আনুভূমিক ভাবে বাঁশ বাঁধতে হবে, যাতে কোন অবস্থাতেই কাঠ, শীট বা props খুলে বিল্ডিং এর বাহিরে পরতে না পারে।
সামনে আরো নতুন নতুন বিষয় নিয়ে হাজির হব।ভাল থাকবেন সেই সময় পর্যন্ত..

প্লাস্টার করার নিয়ম

  1. প্লাস্টার করার পূর্বে  আর.সি.সি আর ব্রিকের সারফেস ভাল করে পানি দিয়ে ভিজাতে হবে ।
  2. সিমেন্ট মর্টার দিয়ে ৩"*৩" @ ৫ থেকে ৬ ফুট পর  পর পায়া করতে হবে।
  3. আর.সি.সির সারফেসে গ্রাউটিং দিতে হবে।।
  4. অব্যশই থিকনেস ঠিক রাখতে হবে ।ব্রিক ওয়ালে ১" ও আর.সি.সি সারফেসে০.৭৫ " থিকনেসে প্লাস্টার করতে হবে।
  5. কোন অবস্থাতেই প্লাস্টারে শুকনা মসল্লা বা বুড়া মারা যাবে না।
  6. এলুমিনিয়্যাম পাট্টা বা স্পিরিট লেভেলের সাহায্যে প্লাস্টার সারফেস চেক করতে হবে।
  7. প্লাস্টার করার পর মনে রাখার জন্য প্লাস্টারের গায়ে তারিখ লিখে রাখতে হবে।
  8. প্লাস্টার করার ২৪ ঘন্টা পর কমপক্ষে ৭a দিন দিনে ৩-৪ বার কিউরিং করতে হবে। 

সাইটে অপচয় রোধে করণীয়

  1. সাইটে ড্রয়িং ও ডিজাইনের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।
  2. সঠিক ভাবে মালামাল রিসিভ ও issue করতে হবে।
  3. কাজের শেষে মালামাল গুলি সঠিক স্থানে গুছিয়ে রাখতে হবে। 
  4. স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাজ করতে হবে।
  5. First in First out রোল মেনে গোডাউন হতে মালামাল আউট করতে হবে।
  6. ব্রিক ওয়াল ও প্লাস্টারের স্থান অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে।
  7. আর,সি,সি সারফেস সমতল থাকতে হবে।
  8. ব্রিক সারফেস সমতল থাকতে হবে।
  9. কাটপিছ রড স্টোরে রাখতে হবে।
  10. খালি সিমেন্ট ব্যাগ, খালি রং এর পট, পিভিসি পাইপ এর কাটপিছ ইত্যাদি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।
  11. লাইট ও ফ্যান ইত্যাদি বিনা কারণে চালু রাখা যাবে না।
  12. পাম্প চালু করে পাইপ দিয়ে গোসল না করে ড্রামে পানি নিয়ে গোসল করতে হবে।
  13. মিটার রিডিং এর জন্য ডেইলি রেজিস্টারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  14. অতিরিক্ত মালামাল মেঝের যেখানে সেখানে ফেলে রাখা যাবে না। যেমন: ইট, বালি, সিমেন্ট ব্যাগ ইত্যাদি।
  15. শেষ বেলার দিকে মর্টার বা কংক্রিট হিসেব করে বানাতে হবে যাতে অতিরিক্ত না হয়।
  16. বার সিডিউল করে রড হিসাব করে কাটতে হবে।
  17. মর্টার তৈরির সময় সামনে থাকতে হবে।
  18. প্রতিদিনের ম্যাটেরিয়ালস এর হিসাব প্রতিদিন করতে হবে।
  19. গোডাউনের নিরাপত্তা পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকতে হবে।
  20. দক্ষ লোকবল দিয়ে কাজ করতে হবে।

অতত্রব অপচয় রোধে উপরোক্ত পয়েন্ট গুলো একজন সাইট ইঞ্জিনিয়ার কে অবশ্যই মেনে চলতে হবে। মেনে না চললে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যা কোনভাবেই কাম্য ন।।

পেইন্ট ওয়ার্ক করার পদ্ধতি

বিল্ডিং এর ফিনিশিং কাজের অংশ হিসাবে পেইন্টিং করা হয়। পেইন্টিং সর্তকতার সাথে না করলে কতগুলো সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন: পেইন্ট ডাম্প হওয়া, ঝরে পড়া, রং করার পর উঁচু নিচু দেখা যাওয়া ইত্যাদি। এই সমস্যাগুলো এড়ানোর নিচের নিয়মগুলো ফলো করে পেইন্ট করতে হবে।

জায়গা প্রস্তুতি :
40 No. পাথর দিয়ে ঘষে প্লাস্টার সারফেস ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

পেইন্ট করার নিয়ম: 
প্লাস্টিক পেইন্ট:


  • শুকনা ও পরিষ্কার জায়গার উপর রং করতে হবে।
  • ভিজা জায়গায় পেইন্ট করা যাবে না।
  • মিনিমাম ৪৫ দিন বয়সের ওয়ালের উপর পেইন্ট করতে হবে।
  • রং অব্যশই রুলার বা ব্রাশ দিয়ে করতে হবে।
  • প্রথমে ওয়াল বা সিলিং এ সিলার লাগাতে হবে।
  • তার উপর টাচ পুটি করতে হবে।
  • পেপার দিয়ে ঘষে প্রথমে পাতলা করে প্রথমে এক কোট রং করতে হবে।
  • একদিন পর তার উপর পুনরায় টাচ পুটি করে পুনরায় রং করতে হবে। এভাবে তিন কোট রং করতে হবে।
  • ফাইনাল কোট দেয়ার পূর্বে অবশ্যই লাইট দিয়ে সারফেস চেক করতে হবে।
  • সারফেস অসমান হলে পুটি করে সমান করতে হবে।
  • ফাইনাল কোট দেয়ার পর সারফেসের উপর দাগ বা গর্ত দেখা যাবে না।
Outside paint :

  • রং করার সিস্টেম প্রায় এক
  • সিলারের পরিবর্তে snowcem/ Durocem ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • রং ৩ কোট এর পরিবর্তে ২ কোট হয়ে থাকে।
  • পুটি করার প্রয়োজন পড়ে না।
Enamel paint:

  • Iron surface/ wooden surface এ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • প্রথমে primer লাগাতে হবে। primer হিসাবে Red- oxide মারতে হবে।

আজ এই পর্যন্ত।।। কেমন হলো জানাবেন

Slump test করবেন যেভাবে

কংক্রটের কার্যোপযোগিতা নির্ণয়ের জন্য slump test করা হয়। এই টেস্ট করবেন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে-

  • ফ্রাস্টম আকৃতির কোণক ব্যবহার করতে হবে। যার তলার ব্যাস ৮", উপরের ব্যাস ৪" এবং উচ্চতা ১২" হবে।
  • কোণকটিকে একটি স্টীল পাতের উপর বসাতে হবে।
  • তারপর এর মধ্যে তিনস্তরে কংক্রিট ভর্তি করে #৫ রডের সাহায্যে ২৫ বার শিলাতে /গাঁথাতে হবে ।
  • তারপর কোণকের হাতল দুইটি ধরে কোণকটি কে আস্তে আস্তে উপরে তুলতে হবে।
  • কোণকটি উপরে তোলার পর কংক্রিট খানিক টা নিচে নেমে যায়। এই পতনের গভীরতার মান টাই স্লাম্প।
কাজের ধরণ অনুযায়ী স্লাম্প এর মান বিভিন্ন রকমের হওয়া উচিত। যেমন'-


সড়ক,পাইল, ভাইব্রেটেড কংক্রীট   ০-১ সেমিসেমি
সড়ক ভিত্তি ১-২ সেমি
ছাদ, কলাম, বিম, দেওয়াল, আর.সি.সি- ২-৪সেমি।

আরো ক্লিয়ার হওয়ার জন্য নিচের ভিডিও টা দেখতে পারেন-
Slump test